রাজশাহীর কামাল ভাই থেকে সেন্ট মার্টিনের নাসরিন — এরা কেউ বড় বিনিয়োগকারী নন। সাধারণ মানুষ, যারা 10gbet আবিষ্কার করার পর নিজেদের বেটিং অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে দেখতে শিখেছেন।
10gbet-এ যোগ দেওয়ার আগে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে — সত্যিই কি কাজ করে? টাকা কি সত্যিই পাওয়া যায়? বোনাসগুলো কি আসলেই দেওয়া হয়? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কোনো বিজ্ঞাপনে পাওয়া যায় না — পাওয়া যায় বাস্তব ব্যবহারকারীদের গল্পে। নিচের চারটি কেস স্টাডিতে চারজন সাধারণ বাংলাদেশি মানুষের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে — তাদের শুরুর ভয়, প্রথম জয়, আর ধীরে ধীরে দক্ষ হয়ে ওঠার পুরো পথ।
কামাল ভাই রাজশাহীতে কাপড়ের ছোট ব্যবসা করেন। ক্রিকেট তার নেশা, ছোটবেলা থেকেই। বন্ধুদের আড্ডায় একদিন 10gbet-এর কথা প্রথম শুনেছিলেন। সেদিন মনে মনে ভেবেছিলেন, এসব হয়তো ফাঁকিবাজি। কিন্তু কৌতূহলটা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল।
প্রথম দিন মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু করেছিলেন। বিকাশে ডিপোজিট দিতে দিতে ভেবেছিলেন — এই টাকাটা গেলেও ক্ষতি নেই, অন্তত জেনে তো নিলাম। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের একটা T20 ম্যাচে বেট রেখে জিতলেন। খুব বড় অঙ্ক নয়, মাত্র ৳৮৫০ ফিরে পেলেন। কিন্তু সেই অনুভূতি অন্যরকম ছিল।
প্রথমে ভয় ছিল টাকা যাবে কিনা। কিন্তু 10gbet-এ প্রথম দিন থেকে বিকাশে টাকা ফেরত পেলাম — এরপর আর পেছনে তাকাইনি।
— কামাল হোসেন, রাজশাহী
রুমা বরিশালে থাকেন, স্বামী ছোট চাকরি করেন। সংসারের পাশাপাশি নিজে কিছু একটা করার ইচ্ছা অনেক দিনের। একদিন ভাবীর কাছ থেকে 10gbet-এর কথা শুনলেন — মোবাইলে খেলা যায়, বিকাশে টাকা আসে। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। তারপর ভাবীর মোবাইলে নিজের চোখে দেখলেন উইথড্রয়ালের স্ক্রিনশট।
রুমার শুরুটা হয়েছিল লাইভ ক্যাসিনো দিয়ে। আনদার বাহার গেমটা তাকে প্রথমেই টেনে ধরেছিল। নিয়মটা সহজ, বাংলায় ডিলার কথা বলেন, আর স্ক্রিনে সবকিছু স্পষ্ট। ৳৩০০ দিয়ে শুরু করে প্রথম সপ্তাহেই ৳৪৫০ বের করলেন।
রুমার মতে, 10gbet-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো মোবাইল অ্যাপটা। ঘরের কাজের ফাঁকে, বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে — যখন একটু সময় পান, তখনই একটু খেলেন। কোনো জটিলতা নেই, কারও সাহায্যের দরকার নেই।
আমার মতো যারা ঘরে থাকেন, তাদের জন্য 10gbet একটা আলাদা জায়গা। কেউ জিজ্ঞেস করে না, বিচার করে না — নিজের মতো খেলি, নিজের মতো উপভোগ করি।
— রুমা বেগম, বরিশালদুটো গল্প থেকে ৬টা গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
টাঙ্গুয়ার হাওরের কাছে জহিরের বাড়ি। মাছ ধরাই তার পেশা। সিজন ছাড়া অনেক সময় বসে থাকতে হয়। সেই ফাঁকা সময়টা কীভাবে কাটাবেন, সেটাই ছিল সমস্যা। একদিন পাশের গ্রামের ছেলে আরিফের কাছে 10gbet দেখলেন।
জহির প্রথমে ভেবেছিলেন, এটা শুধু শহরের মানুষের জন্য। কিন্তু আরিফ দেখিয়ে দিল — মোবাইল ডেটা আর একটা বিকাশ অ্যাকাউন্ট থাকলেই হয়। জহিরের কাছে দুটোই ছিল। সেদিনই ৳২০০ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলল।
প্রথম কয়েক সপ্তাহ শুধু দেখত — কোন দলের অডস কত, কীভাবে বাড়ে কমে। বাংলাদেশের ম্যাচে একদিন সাহস করে ৳১০০ বেট রাখল। ম্যাচ শেষে ৳১৮৫ ফেরত পেল। সেই থেকে শুরু।
জহির মনে করেন, 10gbet তাকে ক্রিকেট বুঝতে আরও সাহায্য করেছে। এখন ম্যাচ দেখার সময় পিচ রিপোর্ট, আবহাওয়া, টস — এসব বিষয়ে মনোযোগ দেয়। বলে, "আগে শুধু দেখতাম, এখন বুঝে দেখি।"
| বিষয় | কামাল (রাজশাহী) | রুমা (বরিশাল) | জহির (সুনামগঞ্জ) |
|---|---|---|---|
| শুরুর ডিপোজিট | ৳৫০০ | ৳৩০০ | ৳২০০ |
| পছন্দের বিভাগ | ক্রিকেট বেটিং | লাইভ ক্যাসিনো | ক্রিকেট বেটিং |
| পেমেন্ট পদ্ধতি | বিকাশ | বিকাশ | বিকাশ |
| VIP স্তর | গোল্ড 🥇 | সিলভার 🥈 | ব্রোঞ্জ 🥉 |
| মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার | |||
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | |||
| সাপ্তাহিক রিবেট |
হাওরে নেটওয়ার্ক মাঝে মাঝে একটু দুর্বল হয়, কিন্তু 10gbet-এর অ্যাপ কখনো ঝামেলা করেনি। বেট রাখলে কনফার্মেশন আসে, টাকা জিতলে ব্যালেন্সে যায় — এটুকুই দরকার।
— জহির মিয়া, সুনামগঞ্জ
নাসরিন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে থাকেন, ছোট মুদির দোকান চালান। পর্যটন মৌসুমে কাজ বেশি, অন্য সময় একটু ফাঁকা। ঈদের আগের বছর এক পর্যটক তার দোকানে বসে 10gbet খেলছিলেন। নাসরিন কৌতূহলী হলেন।
পর্যটক ভদ্রলোক বুঝিয়ে দিলেন কীভাবে শুরু করতে হয়। নাসরিন সেদিন রাতে ঘরে গিয়ে নিজেই অ্যাকাউন্ট খুললেন। ঈদের আগের সপ্তাহটা তার জন্য অন্যরকম হলো — রান্নাঘরে কাজের ফাঁকে ফোনে একটু খেলতেন, বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে রাতে একটু খেলতেন।
নাসরিনের গল্পটা একটু আ লাদা কারণে মনে রাখার মতো। ঈদের দিন সকালে তিনি একটা বড় জয় পেলেন — লাইভ ক্যাসিনোতে। সেই টাকা দিয়ে বাচ্চাদের জন্য নতুন জামা কিনলেন। সেন্ট মার্টিনের সেই ঈদ তার কাছে অন্যরকম স্মৃতি হয়ে থাকল।
নাসরিন বলেন, 10gbet তার জীবনে কোনো বিপ্লব আনেনি। কিন্তু প্রতি মাসে একটু অতিরিক্ত আনন্দ এনেছে। বাজেটের মধ্যে থেকে খেলেন, জিতলে খুশি হন, হারলে মেনে নেন।
ঈদের দিন বাচ্চাদের জামার টাকাটা 10gbet থেকে এসেছিল। সেই আনন্দটা আলাদা। এটা কোনো বড় কথা না, কিন্তু মনে থাকার মতো।
— নাসরিন, সেন্ট মার্টিনবাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে 10gbet ব্যবহারকারীদের সংক্ষিপ্ত মতামত
পাঠকদের সাধারণ জিজ্ঞাসা